স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:৪৮, ১৭ আগস্ট ২০২৬
ভিডিওতে ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি সামনে থাকা ম্যাচের কথা মাথায় রেখে সবাইকে বিনয়ী ও মনোযোগী থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
প্রধান কোচ ফিল সিমন্সও জয়ের পর ক্রিকেটারদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দলের খেলোয়াড়রা যে কঠোর পরিশ্রম করেছেন, এই সাফল্য তাদের প্রাপ্য। একই সঙ্গে ইতিহাসের এই মুহূর্তের অংশ হওয়ার জন্য ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানান তিনি।
বোলিং ইউনিটের বিশেষ প্রশংসা করে সিমন্স বলেন, পুরো ম্যাচে দল অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। ব্যাটিংয়েও ক্রিকেটাররা নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ম্যাচে একে অন্যের সাফল্যে সতীর্থদের উচ্ছ্বাসের বিষয়টিও আলাদাভাবে তুলে ধরেন বাংলাদেশ কোচ। তামিম ও হাসানের প্রথম ইনিংসের বোলিং, শান্তর নেতৃত্ব এবং মেহেদী হাসান মিরাজের দ্বিতীয় ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
মুমিনুল হকের ব্যাটিংয়ের কথাও উল্লেখ করেন সিমন্স। শুরুতেই একটি উইকেট হারানোর পর মুমিনুল ক্রিজে এসে পরিস্থিতি সামলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেন বলে জানান তিনি।
সিমন্সের মতে, পুরো ম্যাচে দলের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল একে অন্যের সাফল্যে ক্রিকেটারদের আনন্দিত হওয়া। কেউ ৯০ রান করলে কিংবা পাঁচ উইকেট নিলেও ড্রেসিংরুমে সবাইকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। দলের জন্য যে যার অবদান রাখছে, তার সাফল্যে অন্যরা খুশি হচ্ছে—এটিকেই তিনি দলের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন।
তবে ঐতিহাসিক এই জয়ের পর অতিরিক্ত আত্মতুষ্টিতে না ভোগার পরামর্শ দিয়েছেন সিমন্স। তার মতে, সাফল্যকে ধারাবাহিকতায় রূপ দিতে হলে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কারণ সিরিজ জিততে বাংলাদেশের সামনে এখনো একটি ম্যাচ বাকি।
এক টেস্ট জিতেই সন্তুষ্ট নন সিমন্স। তিনি জানান, বাংলাদেশ শুধু একটি টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় আসেনি; দুই ম্যাচের সিরিজ জেতাই দলের লক্ষ্য। প্রথম ধাপে সফল হলেও এখন দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পালা।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের এই জয় তাই শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়, দলের আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হয়ে থাকল।