খোরশেদ আলম, নোয়াখালী
প্রকাশ: ১২:০২, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের পর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের সেই বিতর্কিত ভোট কেন্দ্র পরিবর্তন হচ্ছে। এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে বেগমগঞ্জ উপজেলা জুড়ে।এ নিয়ে এলাকায় সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও সমালোচনা ঝড় বইছে।
নির্বাচন কমিশনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে "বেগমগঞ্জ পাঠাগারকে ভোটকেন্দ্র,ঘুষ নিলেন নির্বাচন কর্মকর্তা"শিরোনামে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে নড়ে চড়ে বসে খোদ নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত সংবাদটি নজরে এলে ভোট কেন্দ্র পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। এ নিয়ে নোয়াখালী নির্বাচন অফিস, কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ও সচিবালয়ের নির্বাচন কমিশনে ব্যাপক গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
অপরদিকে, সাম্প্রতি দৈনিক অত্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় দুর্নীতি সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পায় নির্বাচন কমিশন। পরে ওই অফিসের ৩ কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নাজমুল ইসলামকে হাতিয়া উপজেলায়,শুয়াইব ভূঁইয়াকে চাটখিলে উপজেলায় ও তামান্না ফেরদৌসকে কবিরহাট উপজেলায় কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।
তথ্য বলছে,বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র হিসেবে সর্বশেষ ২০২২ সালে ও তার আগের ইউপি নির্বাচনে হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি ব্যবহৃত হয়েছে। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবার এটি এখান থেকে সরিয়ে ধ্রুবতারা পাঠাগারকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরে আরেক আবেদনে এর পরিবর্তে ইউছুফ আলী তা’লীমুল কোরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনকারীদের অভিযোগ, নতুন নির্ধারণ করা বর্তমান কেন্দ্রটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং একটি চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে হওয়ায় নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি পাঠাগারটির অবকাঠামোও পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করা হয়েছে।
কুমিল্লা নির্বাচন আঞ্চলিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন,ইতিপূর্বে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তিনি শুনেছেন। তিনি তদন্ত করেছেন। ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন অতি শীঘ্রই হচ্ছে।