পারভেজ হাসান, লাখাই
প্রকাশ: ১০:০৬, ২৭ জুন ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন গ্রামের বাবুল মিয়ার পক্ষের সঙ্গে বাচ্চু মিয়ার পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বাচ্চু মিয়া আহত হন। পরে তিনি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৯ জুন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা এটিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে লাখাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তবে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, বাচ্চু মিয়ার মৃত্যু সংঘর্ষের কারণে নয়, বরং চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে হয়েছে। লাখাই উপজেলা বিএনপির নেতারাও একই দাবি করে বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের আগে মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে প্রচার করে একটি পক্ষ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এদিকে, মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘরে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল লুট ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাখাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ড. আক্তার আহাদ চৌধুরীসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, যেহেতু এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, তাই আইনের মাধ্যমে বিচার হওয়া উচিত। কোনো পক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন নিজের গতিতে চলবে, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের আগে বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।