নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১:৪৯, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ একদল পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে এবং নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। তারা দুজনে বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে সাহেল ও তারেক বন্ধুত্বের সুবাদে লাখাই উপজেলায় যান।
এদিকে গত কিছুদিন ধরে তারেক নিখোঁজ থাকায় তার পরিবার কোনো সন্ধান না পেয়ে প্রথমে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও অভিযানে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
গ্রেপ্তারের পর আসামি সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ একদল পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধারের জন্য লাখাই থানায় যান। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হোসেন।