তাওহিদুজ্জামান (রোমান), শেরপুর
প্রকাশ: ২২:০৩, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি আমনখেতে হাতির পায়ের ছাপ রয়েছে। কিছু জমির ধান মাড়িয়ে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে বারোমারী মিশন ও আন্দারুপাড়া এলাকার খলচান্দা কোচপল্লী যাওয়ার সড়কের পাশে রোপণ করা আমনখেতে খাবারের সন্ধানে নামে হাতির পাল। এ সময় কৃষক সমর আলীর ১ একর, ফোরকান আলীর ১ একর ৩০ শতাংশ, উমর আলীর ৫৫ শতাংশ, ইমান আলীর ৫৫ শতাংশ ও শিষ্টন কোচের ১০ শতাংশ জমির আমন ধান নষ্ট হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমান আলী বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বন্যহাতির পাল আমাদের ধানখেতে হানা দেয়। ওই সময় আমরা কেউ বিষয়টি জানতাম না। এ কারণে ফসল রক্ষা করতে পারিনি। আমাদের উঠতি আমন ধানের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে এই ফসলের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।’
ইমান আলী আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে বন্যহাতির পাল নালিতাবাড়ী উপজেলার বুরুঙ্গা, কালাপানিসহ পাহাড়ি এলাকার উঠতি আমনখেতে খাবারের সন্ধানে হানা দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করছে।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. দেওয়ান আলী বলেন, বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর বন বিভাগের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সরকারি নিয়মে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে অনেক কৃষক ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।