স,ম ইকবাল বাহার চৌধুরী, কক্সবাজার
প্রকাশ: ১১:৩৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে রাতযাপন নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জারি করা নির্দেশনায় গত বছরের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনের বিধান বহাল রাখা হয়েছিল। এতে নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় দ্বীপ ভ্রমণ করে একই দিনে ফিরে আসার নির্দেশনা ছিল। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাতযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল।
এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও পর্যটকবাহী জাহাজের মালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সংশোধিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আগের মতোই কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এবার দ্বীপটিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি। পাশাপাশি দ্বীপে ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই ভ্রমণের আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা, ট্রাভেল পাস সংগ্রহ এবং জাহাজ চলাচলের সময়সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।