প্রকাশ: ২২:০৯, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২২:২০, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি তার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়ক একটি স্টাটাস পোস্ট করেন।
স্টাটাসে তিনি লেখেন, কিছু মানুষের খুব জ্বলে, ওদের মালিক সৌদি থেকে ‘মেঘনা আলমের চামড়া’ বেশি ফর্সা। কিছু করার নেই। এই বর্ণবাদী দুনিয়াতে আমার সঙ্গে একটু বর্ণবাদের সুযোগ পায় না বলে ওদের মনে খুব কষ্ট। বট আইডি দিয়ে মাঝে মাঝে লিখে, ‘এই কালো মেয়েকে কি দেখে রুচি হলো’। যারা এই মন্তব্য করে, তারা জানে না, তাদের মালিক এসসা আমার চাবানো ভাত, চুইং গাম খেতে পছন্দ করে। আর ওর দাঁতের থেকেও আমার গায়ের রং ফর্সা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অগ্রযাত্রা প্রতিদিনকে মেঘনা আলম জানান, “আমি প্রবাসীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছি, তাদের জন্য কাজ করতে চাচ্ছি তাই আমাকে থামানোর জন্য, মন ছোট করে দেয়ার জন্য ফেক বট আইডি দিয়ে কমেন্ট করাচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, “আমি এসবে থামছি না। কাজ করতে চাই তাদের জন্য।”
উল্লেখ্য, মেঘনা আলম, যাকে মডেল হিসেবে প্রচারণা করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে তিনি বহুমাত্রিক পরিচয়ের একজন ব্যক্তিত্ব। একাধারে মিস বাংলাদেশ, রাজনৈতিক শিক্ষাবিদ এবং মিস আর্থ বাংলাদেশের বর্তমান ন্যাশনাল ডিরেক্টর। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের নারী কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে একজন শ্রমিক প্রতিনিধি, যিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিল্ডিং, কনস্ট্রাকশন, কৃষি ও কাঠশিল্পের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়েও শ্রমিক অধিকার বিষয়ে বক্তৃতা দিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি প্রবাসীদের সমস্যার সমাধানে আরও এগিয়ে আসবেন।
সেখানে তিনি বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টা আমার মেসেঞ্জার সবার জন্য খোলা। আমাকে মেইলও করতে পারেন: [email protected]। অনেক দিন ধরেই সৌদি প্রবাসী ভাই–বোনেরা আমাকে নানা দুঃখ–হেনস্তার কথা জানাচ্ছেন। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ফরমাল চ্যানেলের মাধ্যমে আপনাদের সমস্যাগুলোর সমাধানে এগিয়ে যাব। যে কোনো দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ বিস্তারিতভাবে আমাকে লিখুন। এই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যারা যারা নিজেদের সমস্যা জানাবেন, আমার টিম সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবে। আমি বেঁচে থাকলে, যদি আপনার সমস্যা সত্যিকারের হয়, আপনি সমাধান পাবেন।’