অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩:৫৫, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শোতে কারিনা মীরাকে প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে মাতৃত্ব বা সন্তান লালন-পালনের পুরো অভিজ্ঞতা কি অন্যভাবে সাজাতে চাইতেন? উত্তরে মীরা বলেন, যে বয়সেই সন্তান আসুক না কেন, মাতৃত্ব সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ।
মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথমবার মা হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে মীরা বলেন, ‘মাতৃত্ব একটি ভীষণ বড় চ্যালেঞ্জ, তা জীবনের যে পর্যায়েই আসুক না কেন। আপনি এবং আমি ভিন্ন বয়সে সন্তানদের জন্ম দিয়েছি, কিন্তু আমরা দু’জনেই প্রায় একইরকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে মাঝে মাঝে সবকিছু সামলানো বেশ কঠিন হয়ে উঠত। তবে সেই কঠিন সময়ে আমার পাশে যে সবচেয়ে বেশি ছিল, সে শাহিদ। ও অসম্ভব সাপোর্ট করেছে আমাকে। তাই আমার মনে হয় না আমি কিছু বদলাতে চাইতাম।’
সন্তানদের দেখাশোনায় শাহিদের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন মীরা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সন্তানদের খেলাধুলা ও স্পোর্টস অ্যাক্টিভিটি এবং খাদ্যাভ্যাসের বিষয়গুলো দেখভাল করেন শাহিদ। অন্যদিকে সন্তানদের হোমওয়ার্ক, জন্মদিনের আয়োজন, এক্সট্রা ক্লাস এবং দৈনন্দিন আচরণগত শিক্ষা সামলান মীরা।
মীরা জানান, একজন মানুষের পক্ষে সন্তানদের সব দায়িত্ব একা সামলানো সম্ভব নয়। তাই তাঁরা দুজন নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন। শাহিদ বা মীরার কেউ দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে থাকলে অন্যজন পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন।