রাশেদ খাঁনের প্রচেষ্টায় নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন মিশন আচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ

প্রকাশ: ১৯:৪৪, ৪ অক্টোবর ২০২৬

রাশেদ খাঁনের প্রচেষ্টায় নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন মিশন আচার্য

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহ সদর উপজেলার প্রার্থী মিশন আচার্যের নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার নিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনের প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

আজ সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের কাছে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেন রাশেদ খাঁন। এতে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় নিয়ে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

ডিও লেটারে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫’-এ মিশন আচার্য (রোল নম্বর ৬৫১৫৩২৮) চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র পাননি। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

রাশেদ খাঁন বলেন, নিজের জেলা ঝিনাইদহের সদর উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন, মিশন আচার্য জন্মলগ্ন থেকেই সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় বসবাস করছেন। ওই এলাকাতেই তার জন্ম এবং বর্তমানে তিনি সেখানে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

ডিও লেটারে আরও বলা হয়, ছোটবেলায় পিতৃহীন হন মিশন আচার্য। তার মা অনেক কষ্ট করে তাকে পড়াশোনা করিয়েছেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় যথাযথভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন, মিশন আচার্য অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগের কথাও জানা যায়নি।

এদিকে, আজ দুপুর ২টার দিকে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খাঁন। এ সময় তিনি মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র পাওয়ার পথ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন