আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:২৪, ২১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০০:১২, ২২ অক্টোবর ২০২৬
নয়াদিল্লি জেলার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালনকারী সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) ঋতু রাজের কাছে দেওয়া অঙ্গীকারনামায় ২ নেতা আরও প্রতিশ্রুতি দেন, তারা শান্তি বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজ করবেন না।
পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রতি আস্থাও প্রকাশ করেন তারা।
অঙ্গীকারনামায় তারা বলেন, শান্তি, আইনশৃঙ্খলা ও জনশান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছেন। আইন অনুযায়ী যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত প্রতিবাদস্থল হিসেবে পুনরায় স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে বিক্ষোভের ডাক দেবেন না।
এছাড়া তাদের আয়োজিত যে কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি সংবিধানের বিধানের মধ্যে থেকেই পরিচালিত হবে বলেও অঙ্গীকার করেন এই ২ নেতা।
আদালত তাদের অঙ্গীকার গ্রহণ করে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড ও জামিনদারের বন্ড জমা নেওয়ার শর্তে মুক্তির নির্দেশ দেন।
ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, শান্তিভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা প্রতিরোধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৩৫(৩) ধারায় তাৎক্ষণিক যেসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি বজায় রাখার বন্ড এবং আদালতে দেওয়া লিখিত অঙ্গীকারের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই তাদের আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই।
এর আগে, বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন। তখন আদালত পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, ওই ২ নেতা ‘আইনের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা দেখাননি’। তাদের আগে দেওয়া জামিনের নিশ্চয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আগের জামিনদারদের ওপর অভিযুক্তদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস