আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯:২৭, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে নগাঁও জেলার লুতুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে।
রোববার সেখানে প্রায় ৩১৪ হেক্টর জমি দখলমুক্ত করা হয়। এতে প্রায় ৫৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর আগের দিন তিন জেলায় আরও পাঁচ শতাধিক পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়।
অল আসাম মাইনরিটিজ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের দাবি, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর অধিকাংশ বাঙালি মুসলিম।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ অভিযানকে রাজ্যের উন্নয়নের ‘রুদ্র রূপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
লুতুমারি এলাকার বাসিন্দারা কয়েক দশক ধরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৩০০ হেক্টরের বেশি জমিতে বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দাবি, ১৯৭৩ সালে সরকারই তাদের একাংশকে সেখানে সাময়িকভাবে পুনর্বাসিত করেছিল।
এর আগে গত জুনে অল ইন্ডিয়া ইউনিয়ন অব ফরেস্ট ওয়ার্কিং পিপলস উচ্ছেদ বন্ধের আহ্বান জানায়। সংগঠনটির মতে, ওই এলাকার চারটি গ্রামের বাসিন্দারা ব্রিটিশ আমলে চালু হওয়া ‘টংগিয়া’ বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় সেখানে বসতি গড়েছিলেন। এ পদ্ধতিতে বন বিভাগের অধীনে কাজ করার পাশাপাশি বনজ গাছের সঙ্গে খাদ্যশস্য চাষ করা হতো।