নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১:৩৪, ২১ অক্টোবর ২০২৬
বিবৃতিতে বলা হয়, চার দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর আওতায় সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন এবং যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নিজস্ব সামরিক উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা শিল্পের সমন্বয় বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম ও মিত্র দেশগুলোর সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা পূরণেও এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।
ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করছে। কাতারের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলসহ কয়েকটি মিত্র দেশেও তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।
এর আগে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে উদ্যোগের কথা উঠে আসে। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তি ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও আঙ্কারার প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা রয়েছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার চেয়ারম্যান হালুক গোরগুন বলেন, যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে চার দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রযুক্তি বিনিময় এবং নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। শুধু অস্ত্র কেনাবেচার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মানবসম্পদ ও শিল্প খাতের বিকাশে সহায়ক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
গোরগুনের আশা, চার দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সামরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে বিভিন্ন যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
চুক্তিটি কার্যকর হলে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামরিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চার দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট প্রকল্প, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।