শেয়ারবিজনেস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:০৯, ২১ অক্টোবর ২০২৬
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কামতা প্রসাদের এই ভোগান্তির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধনের উদ্যোগে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ পড়েছে।
কামতা প্রসাদের নাম ভোটার তালিকায় ‘কান্তা প্রসাদ’ হিসেবে লেখা হয়েছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম ঘিরে দেশজুড়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়ায় প্রকৃত ভোটারদের ভোটাধিকার ঝুঁকিতে পড়েছে। তাদের দাবি, ক্ষমতাসীন বিজেপিকে নির্বাচনে সুবিধা দিতেই এমনটি করা হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাব, ঠিকানা যাচাই এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অনেকের পক্ষে নিজেদের ভোটার পরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভোটাধিকার হারানোর পাশাপাশি সরকারি রেশন ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সুবিধা পাওয়া নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিতর্কের মধ্যে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাদের নাম বাদ গেছে, তারা আবেদন করে নাম ফের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া, নথিপত্র সংগ্রহ এবং সরকারি দপ্তরে বারবার যাওয়ার ভোগান্তি তাদের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
কামতা প্রসাদের ঘটনা তাই কেবল একজন ভোটারের নাম ভুলভাবে বাদ পড়ার গল্প নয়; এটি ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নও সামনে এনেছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস