নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১:৪৩, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন ময়মনসিংহের রাজন (২২) ও চাঁন মিয়া (২৮)।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, কিশোর আশিক (১৪) হত্যা মামলার পলাতক আসামি রাজনকে গ্রেফতারে এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এবং এসআরবি-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার কানসাট পুরাতন ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজন ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নম্বর ০৫, তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২৫-এর ৩০২/২০১/৩৪ ধারার আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে শাহিন মিয়া আশিককে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে আশিক নিখোঁজ ছিল। পরে ২ নভেম্বর সকালে স্থানীয় ভাটি ঘাগড়া এলাকার সীমানাপ্রাচীরঘেরা একটি জমির পুকুর থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহালে তার কপাল, চোখ ও মাথায় একাধিক ছিদ্রযুক্ত জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় রাজন পলাতক ছিলেন।
অন্যদিকে, মোটরসাইকেল চুরি মামলার আসামি চাঁন মিয়াকে গত ২৯ অক্টোবর রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার পাটগুদাম ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে এসআরবি-১৪-এর অপর একটি আভিযানিক দল।
চাঁন মিয়া ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা। তিনি কোতোয়ালি থানার মোটরসাইকেল চুরি মামলা নম্বর ৬৪, তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এর দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার আসামি।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার গোবিন্দপুর নাংলা গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে মো. লিপ্রন হাসান (৩০) ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার চরপাড়া নয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ৩০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি তাঁর ব্যবহৃত ডিসকভার ১১০ সিসি মোটরসাইকেলটি বাসার সামনে রেখে ভেতরে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর বাইরে এসে মোটরসাইকেলটি আর দেখতে পাননি। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা সেটি চুরি করে নিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেফতার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।