বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩:৫২, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শাড়ি, গলায় হার আর সিঁথিতে সিঁদুর—এভাবেই প্রায়ই দেখা যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুর দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলিকে। বিবাহবিচ্ছেদের পরও তাঁর সিঁদুর পরা নিয়ে নানা সময়ে আলোচনা হয়েছে। এবার এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রূপা গাঙ্গুলি জানান, সিঁদুর পরতে তাঁর ভালো লাগে বলেই তিনি তা পরেন। এ নিয়ে অন্য কারও কাছে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না তিনি।
রূপার ভাষায়, “আমি তো বিধবা নই, কেন সিঁদুর পরব না? আমি রূপা গাঙ্গুলি বিধবা হয়ে গেলেও সিঁদুর পরব। বেশ করি। আমি কুরুক্ষেত্র থেকে আনা মা ভদ্রকালীর নামে সিঁদুর পরি। আমার ভালো লাগে সিঁদুর পরতে, তাই পরি। ইচ্ছা করে পরি।”
সিঁদুর পরার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে কাউকে জবাব দিতে চান না। তাঁর মতে, বিধবা হলেও সিঁদুর পরার ক্ষেত্রে বাধা থাকা উচিত নয়। নিজের মাকেও বাবা মারা যাওয়ার পর লাল টিপ পরতে উৎসাহিত করেছিলেন বলে জানান তিনি। শাড়ির সঙ্গে লাল টিপ নারীদের সুন্দর দেখায় বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী।
১৯৯২ সালে পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখার্জিকে বিয়ে করেন রূপা গাঙ্গুলি। তবে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তাঁদের দাম্পত্য জীবন। ২০০৭ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
এর আগে বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে রূপা জানিয়েছিলেন, সংসার টিকিয়ে রাখতে গিয়ে নিজের অভিনয়জীবনে নানা সমঝোতা করেছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, পরিবারের কথা বিবেচনা করে সকাল ৯টার আগে কিংবা রাত ১০টার পর শুটিংয়ের সময় রাখতেন না। শুটিং শেষ হলে দ্রুত বাড়ি ফেরার চেষ্টা করতেন এবং অযথা সময় নষ্ট করতেন না।
রূপার ভাষ্য অনুযায়ী, সংসার সুখী রাখতে নিজের দিক থেকে যতটা সম্ভব চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবুও শেষ পর্যন্ত সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি এবং বিচ্ছেদ ঘটে।