আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২১:৫৮, ৩ নভেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা জানান। তার দাবি, ইসরায়েল এখন অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং দেশটির আর মার্কিন আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই।
তবে এ ঘোষণার পেছনে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক সহায়তা ডেমোক্র্যাটদের জন্য রাজনৈতিক সমালোচনার একটি বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তার কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। তার নির্বাচনি প্রচারে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
ট্রাম্পের আশঙ্কা, ইসরায়েলকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে। সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে সেই সমালোচনার সুযোগ কমাতে চান তিনি।
এছাড়া ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ম্যাগা আন্দোলনের সমর্থকদের একটি অংশও বিদেশি রাষ্ট্রকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ দেওয়ার বিরোধিতা করে আসছে। তাদের মতে, মার্কিন করদাতাদের অর্থ দেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনেই ব্যয় করা উচিত। ট্রাম্পও সহায়তা বন্ধের পক্ষে যুক্তি হিসেবে মার্কিন অর্থ দেশের মানুষের জন্য সংরক্ষণের কথা বলেছেন।