নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশ: ১১:৪৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
জুমার দিন যেসব ইবাদত ও আমল করা হয়, সপ্তাহের অন্যান্য দিনে সাধারণত তা করা হয় না। এই ব্যতিক্রম মুসলিমকে আনন্দ দেয়। ইবাদতে প্রাণ সঞ্চার করে। জুমার দিন পেয়ে আনন্দিত হওয়া সওয়াব। এটি সুন্নতও। কারণ এ দিনের গুরুত্ব অনেক। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ আমল করতেন।
জুমার দিনের অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল আছে। এই দিনের অন্যতম আমল জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা ও খুতবা শোনা। এ ছাড়াও এ দিনে দোয়া করা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
মহানবী (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়া জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল। দরুদ পাঠকারীর ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে দশটি রহমত নাজিল হয়। ব্যক্তির দশটি গুনাহ মাফ হয়। দরুদ পাঠকারী ও তার বাবার নাম মহানবীর কাছে পৌঁছানো হয়।
এমন একটি দরুদ আছে, যা জুমার দিন পড়লে পাঠকারীর ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়। ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে জুমার দিন আসর নামাজের পর ওই জায়গায় বসা অবস্থায় ৮০ বার একটি দরুদ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গোনাহ ক্ষমা হয়, ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হয়।’ (আফদালুস সালাওয়াত : ২৬)
দরুদটি হলো—
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলিহি, ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি উম্মি নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর এবং তাঁর বংশধরদের ওপর দরুদ ও পরিপূর্ণ সালাম প্রেরণ করুন।