অগ্রযাত্রা প্রতিদিন প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৩:৫৭, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর নতুন ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন (থ্রি আর)’ কৌশলের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলতে কাজ করছে।
হুমায়ুন কবির এলডিসি চেয়ার হিসেবে নেপালের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দোহা কর্মসূচি গ্রহণের পর বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।
এলডিসি দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম উল্লেখ করে তিনি অনলাইন ইউনিভার্সিটি, খাদ্য মজুত ব্যবস্থা, টেকসই উত্তরণ সহায়তা তহবিল, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সহায়তা কেন্দ্র ও স্থিতিস্থাপকতা উন্নয়ন ব্যবস্থার অগ্রগতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এলডিসি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত প্রস্তুতি সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি একটি মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
তিনি যে ছয়টি অগ্রাধিকার প্রস্তাব দেন, সেগুলো হলো—
১. উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) ঘাটতি পূরণ, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং সহজ শর্তের অর্থায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
২. বাজারে প্রবেশাধিকার, স্বচ্ছ উৎপত্তি বিধি ও বাণিজ্য সুবিধা বাড়িয়ে এলডিসি বাণিজ্য সম্প্রসারণ।
৩. জলবায়ু অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সহজলভ্য ও পূর্বানুমানযোগ্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
৪. অবৈধ আর্থিক প্রবাহ বন্ধ ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার।
৫. শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, মূল্য সংযোজন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কাঠামোগত রূপান্তর।
৬. জাতিসংঘের সংস্কার উদ্যোগ ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে এলডিসির জন্য আরও কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।
বক্তব্যের শেষে তিনি এলডিসি মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণাপত্র গ্রহণের প্রত্যাশা করেন।
শীর্ষ সংবাদ: