এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

মোঃ ফয়েজুল হক শিমুল, সিলেট: 

প্রকাশ: ১০:০৯, ১০ অক্টোবর ২০২৬

এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শুক্রবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এনসিটি পরিচালনা নিয়ে চুক্তিটি হয়েছে টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে। এটি নির্দিষ্ট মেয়াদের চুক্তি। মেয়াদ শেষে বাংলাদেশ চাইলে চুক্তি নবায়ন করতে পারবে, অন্যথায় এর অবসান ঘটাতে পারবে। এ চুক্তিকে দেশ বিক্রির চুক্তি বলা সস্তা ও অমূলক বক্তব্য।

তিনি বলেন, চুক্তির কারণে বন্দরে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারাবেন না। বরং দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা বাড়বে বলে সরকার নিশ্চিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুবাইভিত্তিক বৈশ্বিক টার্মিনাল অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যয় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে আনতে হবে। এ জন্য বন্দর পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় কমানো গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান পুনরুদ্ধারের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, চীন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনামও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে গেছে। আবার বাংলাদেশও সেই অবস্থান পুনরুদ্ধার করেছে। প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে পারলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন