নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০:২০, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৩৪, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিবালয় স্থানান্তর প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
কেন স্থানান্তর করা হচ্ছে সচিবালয়
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয় ১৭ দশমিক ৫৭ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত। সেখানে মোট ১৩টি ভবন রয়েছে, যার মধ্যে আটটি স্বাধীনতার আগে নির্মিত।
সচিবালয়ের ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর পুরোনো ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। এসব ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করে নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মপরিসর ও ওয়াশ-ব্লক না থাকায় স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা কঠিন হচ্ছে।
বর্তমানে সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮ লাখ ৭৬ হাজার বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত জায়গার চাহিদা এবং সচিবালয়ের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে একই স্থানে আনার জন্য আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।