নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১:৪২, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নূরুল কাদের অডিটোরিয়ামে বিজিএমইএর ‘ইএসজি প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের অভাব- এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে।’
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, করের হার না বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে সক্ষম ও সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
তিনি বলেন, ‘২০২৯ সালে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হবে।’
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বাংলাদেশ নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সংস্কার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়ন সহযোগীরাও এ অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করছে। সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’