নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১:৫১, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৪, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, দায়িত্ব পালনরত আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কার্যক্রম এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক উপস্থিত ব্যক্তিদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং শুভেচ্ছা উপহার দেন। পূজা উদ্যাপন কমিটির পক্ষ থেকে তাকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
মহাপরিচালক বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি আরো বলেন, এবার পূজামণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার এবং ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপসের’ মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করেছে।
মহাপরিচালক জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজিত পূজামণ্ডপের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজস্ব প্রাঙ্গণে আয়োজিত পূজামণ্ডপগুলোও বাহিনীর নিজস্ব পর্যবেক্ষক দলের নজরদারিতে রয়েছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ বজায় রাখার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি গুজব, অপপ্রচার ও উসকানির মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা প্রতিরোধ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নিরাপত্তার পাশাপাশি পূজামণ্ডপে মানবিক সেবামূলক কাজেও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভূমিকা রাখছেন বলে জানানো হয়। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, বয়স্ক দর্শনার্থীদের সহায়তা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের মতো কাজ করছেন তারা। এ ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও নারীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা প্রতিরোধেও সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।