নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫:২২, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে এক যুবক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিল।’
রাশেদ খাঁনের দাবি, বিরোধী দলের নেতাদের উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য, আগ্রাসী আচরণ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার সুযোগ নিচ্ছে পতিত অপশক্তি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, জনসভা ও টকশোতে আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-খুন এবং দলটির বিচারের বিষয়গুলো যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় জামায়াতে ইসলামীর আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য, জামায়াত ও এনসিপির বক্তব্যে এমন বয়ান তৈরি হচ্ছে, যেন বিএনপির আট মাসের সরকার আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলকেও ছাড়িয়ে গেছে।
রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, এসব বক্তব্য ও অপবাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুমের শিকার, মামলায় জর্জরিত কিংবা নির্বাসিত জীবনে থাকা নেতারাও এর বাইরে নন বলে দাবি করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ৫ আগস্টের পরও দায়িত্বে থাকা কিংবা এর আগে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় না থাকা কিছু ব্যক্তির বক্তব্যে এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে, যেন গত ১৬ বছর শুধু তাঁরাই আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। রাশেদ খাঁনের দাবি, আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবদানের তুলনায় বিরোধী দলের অনেক নেতার ভূমিকা ছিল নগণ্য। অথচ এখন বিএনপিকে তাঁদের কাছ থেকেই আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস শুনতে হচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস নিয়ে বিরোধী দলের নতুন সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ বিষয়ে অধ্যাপক জাফর ইকবালের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার সঙ্গে তুলনা করেন।