স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২০:৫৭, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
এই জয়ের ফলে ৩১ অক্টোবরের ফাইনালে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়া নিশ্চিত করল শ্রীলঙ্কা, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘটল ইংল্যান্ডের।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা।
ইনিংসের শুরুতেই মাদুশঙ্কার শর্ট বলে আউট হন তিনি। বাবর আজম শুরুতে ইতিবাচক ব্যাটিং করলেও অন্য প্রান্তে সাদাকাতকে এলবিডব্লিউ করে পাকিস্তানকে দ্বিতীয় ধাক্কা দেন আসিথা ফার্নান্দো।
বাউন্ডারিতে রান তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান বাবর। তবে নিজের প্রথম স্পেলের শেষদিকে আরেকটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়ান মাদুশঙ্কা। এরপর দুই ওভারে পরপর দুই বলে সালমান আগা ও বাবরকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা।
১৪ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৬১ রান ছিল পাকিস্তানের সংগ্রহ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে নিচের সারির ব্যাটারদের দিকে তাকিয়ে ছিল দলটি।
এরপর হারিস রউফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন মাদুশঙ্কা। ফলে ইনিংসের প্রায় অর্ধেক ওভার বাকি থাকতেই ২৫.৩ ওভারে ১১০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। মাদুশঙ্কার ৫ উইকেটের পাশাপাশি সাহান আরাচ্চিগে নেন ২টি উইকেট।
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় শ্রীলঙ্কাকে দ্রুত এগিয়ে নেন কামিন্দু মেন্ডিস। ইনিংসের প্রথম ওভারেই জীবন পাওয়া এই ব্যাটার পরের ওভারে বাউন্ডারি মেরে রানের গতি বাড়ান। আভিষ্কা ফার্নান্দোও শাহিনের বলে দুটি বাউন্ডারি আদায় করেন। তবে দ্রুত ম্যাচ শেষ করার দায়িত্বটা মূলত নিজের কাঁধেই তুলে নেন কামিন্দু।হারিস রউফ আক্রমণে আসতেই তার প্রথম ওভারে টানা তিনটি বাউন্ডারি মারেন কামিন্দু। তাতে মাত্র ৬.১ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।
এরপর দ্রুত আভিষ্কা ও কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে পাকিস্তান। তবে ততক্ষণে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ৫০ রানেরও কম। কামিন্দু আরেকবার ভাগ্যের সহায়তা পান। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ফিল্ডারের হাতে সরাসরি ক্যাচ তুলে দিলেও বাউন্ডারি লাইনে পা পড়ায় ছক্কা হয়ে যায় বলটি। ওই রানেই ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
এরপর আর কোনো বিপদে পড়তে হয়নি শ্রীলঙ্কাকে। ড্রিংকস বিরতির পরই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দলটি। কামিন্দু ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে পাভান রত্নায়েকে অপরাজিত ছিলেন ২৩ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান ২৫.৩ ওভারে ১১০ (বাবর আজম ২৯; দিলশান মাদুশঙ্কা ৫/৩৪, সাহান আরাচ্চিগে ২/২৪)। শ্রীলঙ্কা ১৮.১ ওভারে ২ উইকেটে ১১৪ (কামিন্দু মেন্ডিস ৬২*, পাভান রত্নায়েকে ২৩*; আরাফাত মিনহাস ১/২৩)। শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়ী।