মোঃ রুহুল আমিন রাসেল, লালমনিরহাট
প্রকাশ: ২১:২১, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও শিক্ষকবৃন্দের অভিযোগ, গত ১৭ সেপ্টেম্বর এবং ২০ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে রশিদুল আলম শিক্ষার্থীদের অর্থ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তার পক্ষে গণস্বাক্ষর গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গাছ কাটাসহ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক রশিদুল আলমের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের নামীয় জমির শতাধিক বৃক্ষ কর্তন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, বরখাস্তের পরও বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে বাইরে নিয়ে গিয়ে গণস্বাক্ষর গ্রহণের ঘটনায় বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
এদিকে, বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষককে স্বপদে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সম্প্রতি বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা দাবি করে, আগের প্রধান শিক্ষক দায়িত্বে না থাকায় বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান, শৃঙ্খলা ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
তবে স্থানীয় সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের দায় এড়ানো এবং পদ ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করে এ ধরনের কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন।
তদন্তের দাবি
সচেতন মহল ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের পাঠদান থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং গণস্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ রশিদুল আলমের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।