নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:৫৫, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
এজাহারের বিবরণে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত খাইরুল ইসলাম (৩৩) ভুক্তভোগী গৃহবধূর সন্তানের মাদ্রাসা শিক্ষক ছিলেন। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে আসেন। তখন শিশু সন্তানটি বাইরে খেলতে যাওয়ায় বাড়িতে একা পেয়ে খাইরুল ইসলাম ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একই সাথে তিনি কৌশলে ভুক্তভোগীর কিছু আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি ভুক্তভোগীকে পুনরায় ধর্ষণ করেন।
উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, টাঙ্গাইলে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা নং-০৬, তারিখ-০২ অক্টোবর ২০২৬খ্রি. ধারা-৯(১), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ তৎসহ ৮(১)/৮(২)/৮(৩) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ রুজু হয়।
সিপিসি-৩, এসআরবি-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১২ অক্টোবর ২০২৬খ্রি. বিকাল ১৭:৪৫ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানাধীন এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক মূলহোতা মোঃ খাইরুল ইসলাম (৩৩), জেলা-টাঙ্গাইল’কে গ্রেফতার করে। এছাড়াও অপরাধে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি জব্দ করতে সক্ষম হয় আভিযানিক দলটি।
ধৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।