অনিক ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১২:১৯, ২২ অক্টোবর ২০২৬
নিহত জহির ফকির পাশের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর বাড়ি আড়াইহাজারে হলেও কয়েক বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ সদরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসি রয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক জানান, বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা জহিরকে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে সড়কে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় মোবারক হোসেনের সঙ্গে জহির ফকিরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও মোবারক হোসেন ও তাঁর লোকজন জহিরের ওপর কয়েকবার হামলা চালিয়েছেন বলে তাঁরা দাবি করেন। তাঁদের ধারণা, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল বারিক। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।