জেলা প্রতিনিদি ফেনী মোঃ জহির খান
প্রকাশ: ০০:০৯, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বসতঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুণ্ঠনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় চুরি ও লুণ্ঠনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছাগলনাইয়া থানাধীন পশ্চিম ছাগলনাইয়া পৌরসভা এলাকায় একটি বসতঘরে জানালার গ্রিল কেটে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। পরে ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুণ্ঠন করে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পরপরই জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে। পাশাপাশি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী এলাকার ফজল হকের ছেলে মো. শাহীন (২৩), সোহারাভ আলীর ছেলে আকিকুল ইসলাম (২৭) এবং ফেনী জেলার বালিগাঁও এলাকার মোমিনুল হকের ছেলে বশির আহমেদ (২৬)।
পুলিশের এ অভিযানকে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, চুরি ও লুণ্ঠনের মতো অপরাধ প্রতিরোধ এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশের মতো ঘটনায় বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
এদিকে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা, লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানা যাবে।
বসতঘরে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে বাসাবাড়ির দরজা-জানালা ও গ্রিলের নিরাপত্তা জোরদার করা, প্রয়োজন অনুযায়ী সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা চোখে পড়লে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তবে আটক ব্যক্তিরা তদন্তাধীন সন্দেহভাজন। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।