ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি ফিরল ডাঙ্গাপাড়ার মানুষের মাঝে

মোঃরাজু মিয়া সোহাগ, নীলফামারী

প্রকাশ: ১৮:২৭, ২২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:২৯, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক সংস্কার, স্বস্তি ফিরল ডাঙ্গাপাড়ার মানুষের মাঝে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনায় পড়ে থাকা একটি সড়কে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখার যুব বিভাগের সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে নেওয়া এই উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে ভোগান্তিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে।

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১,নং বড়ভিটা ইউনিয়নের বিন্নাকুড়ি বাজার থেকে পূর্ব দিকে ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লোকালয়ে যাওয়ার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয় মানুষের এমন দুর্ভোগের চিত্র পৌঁছে যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখার যুব বিভাগের সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে। বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সড়কটিতে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেন।

তাঁর এই উদ্যোগে সড়কটি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে সড়কটির দুরবস্থা কাটেনি। তবে এলাকার সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাঁর জন্য দোয়াও করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

এদিকে, মোস্তাফিজুর রহমানের এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগকে সামাজিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগে পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসা জনসম্পৃক্ত রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়কে মাটি ভরাটের এই কার্যক্রম ডাঙ্গাপাড়ার মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের জন্য সড়কটির স্থায়ী সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এখনো জরুরি।

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, সাময়িক উদ্যোগের পাশাপাশি সড়কটির স্থায়ী উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসবে, নিশ্চিত হবে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন