এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১৯:৩৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার একটি বাড়ি থেকে মিতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার গাড়িচালক সেলিমকেও গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার মিতাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদুর রহমান। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনায় আসামিদের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক সহযোগীদের পরিচয় ও অবস্থান, কথিত রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং ককটেল বোমার উৎসসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার প্রয়োজন রয়েছে।
রিমান্ডের বিরোধিতা করে মিতার আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন জামিন আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, মিতা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং তিনি অসুস্থ। তাই ১০ দিনের রিমান্ডের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দেন। তিনি বলেন, এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদে মিতার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী আরও দাবি করেন, মিতার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে তিনটি মামলা রয়েছে। ঢাকায় সাম্প্রতিক মিছিল, বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
শুনানি শেষে আদালত মাহফুজুর রহমান মিতাকে ছয় দিন এবং তার গাড়িচালক গোলাম মাওলা সেলিমকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। এ সময় মিছিল থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়। পরে এ ঘটনায় পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে।
শীর্ষ সংবাদ: