চলে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন রাশেদ মামুন অপু ও নির্মাতা আদিবাসি মিজান।
জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে দ্রুত তাকে ল্যাবএইড হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাশেদ মামুন অপু জানান, অসুস্থতা অনুভব করে বিকেলে সহকর্মীদের ফোন করেছিলেন সুমন। পরে অফিসের সহকর্মীরা তার সেন্ট্রাল রোডের বাসা থেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে ইবনে হাসান খান বলেন, সুমনের পরিবার দেশের বাইরে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অভিনয়ের পাশাপাশি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম-এর রেডিও ভূমির স্টেশন চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য হিসেবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন শামস সুমন। মঞ্চ থেকে ছোট পর্দা—সবখানেই ছিল তার সাবলীল উপস্থিতি। নব্বইয়ের দশকে টিভি নাটকে তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ।
ছোট পর্দার পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে মন জানে না মনের ঠিকানা (২০১৬), কক্সবাজারে কাকাতুয়া, চোখের দেখা, আয়না কাহিনী, বিদ্রোহী পদ্মা, জয়যাত্রা, নমুনা ও হ্যালো অমিত।
২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতার সম্মাননা লাভ করেন এই গুণী শিল্পী।
