অগ্রযাত্রা প্রতিদিন প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০:০৮, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে পৌঁছালে কয়েকজন প্রবাসী তাকে লক্ষ করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাকে লক্ষ করে ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’, ‘গো ব্যাক’সহ বিভিন্ন মন্তব্য করেন প্রবাসীরা।
এ সময় বাংলাদেশে দুই লাখ মানুষকে গ্রেফতার এবং হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যার অভিযোগ তোলেন প্রবাসীরা। উচ্চস্বরে একজন বলতে থাকেন, ‘তুমি আমার দেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছ। কেন এখানে এসেছ?’
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগও তোলা হয়। প্রবাসী এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘সে আমার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।’ এ সময় তাদের বক্তব্যে ড. ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ পায়। বিশেষ করে বাংলাদেশে গ্রেফতার, সহিংসতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক প্রশ্ন করা হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন। এ ঘটনায় কোনো শারীরিক হামলা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
এ সময় ড. ইউনূস ও তার সঙ্গে থাকা লামিয়া মোর্শেদ দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি। তবে, এ ঘটনায় প্রবাসীদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।
এর আগে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের সময় ড. ইউনূসের আগমনকে কেন্দ্র করে জেএফকে বিমানবন্দরে বিক্ষোভ হয়েছিল। সে সময় তার সফরসঙ্গী কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা হেনস্তার শিকার হন বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।