নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
প্রকাশ: ১৫:৪২, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪৫, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা ড. ইউনূসের দিকে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন। এ সময় তারা তাকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেররিস্ট’ ও ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন এবং পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও স্লোগান দেন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, পরিস্থিতির মধ্যে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ড. ইউনূসকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। পরে সঙ্গে থাকা এক সহযোগীর সহায়তায় তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যান।
সংবাদ সম্মেলনে জাহেদ উর রহমান বলেন, ড. ইউনূস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে বিমানবন্দরে তাকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়াই তার বিরুদ্ধে এমন আচরণের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ড. ইউনূসের সরকারের কার্যক্রম নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনা থাকতে পারে। তিনি নিজেও দেশে বসে সেই সমালোচনা করেছেন। কিন্তু এ ধরনের হেনস্তা গ্রহণযোগ্য নয়।
সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করা একজন অভিনেত্রীও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ওই অভিনেত্রীর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের যে মর্যাদা বা ভিভিআইপি সুবিধা পাওয়ার কথা, যুক্তরাষ্ট্রে তার নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা সরকার খতিয়ে দেখবে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করলে তা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।