ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যার, লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২:৫৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যার, লাশ উদ্ধার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক থেকে নুরমা  খাতুন (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি)

বিকালে উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। 

লাশ উদ্ধারের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহম্মদ মোজাম্মেল হক। 

নুরমা ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের কন্যা এবং তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রামবাসী ও পরিবারের লোকজন জানান, নজরুল ইসলাম স্ত্রীকে নিয়ে সকালে নুরমাকে বাড়িতে রেখে পার্শ্ববর্তী ধানের জমিতে কাজ করতে যান। দুপুর ১টার দিকে তারা বাড়িতে ফিরে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে আশেপাশের বাড়ি ও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে বাড়ির বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ দেখতে পান তারা। 

রক্তের দাগ খুঁজে সেপটিক ট্যাংকের কাছে গেলে মাথা নিচের দিকে পরে থাকা অবস্থায় নুরমাকে দেখতে পান তারা।  এ সময় তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে সেপটিক ট্যাংক থেকে মৃত অবস্থায় নুরমাকে টেনে তোলেন। 

খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে থেকে রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে। 

স্থানীয় ও স্কুলছাত্রীর বাবা-মায়ের দাবি, ফাঁকা বাড়িতে মেয়েকে একা পেয়ে আশেপাশের কেউ ধর্ষণ করেছে। এ সময় মেয়েটি ধর্ষকদের চিনে ফেললে ধর্ষকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলাকেটে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়।  কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব বা বিবাদও ছিল না বলে জানান নিহতের স্বজনরা।  

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর হত্যার প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন