আব্দুস সালাম (জয়), ঝিনাইদহ
প্রকাশ: ১১:০৬, ২৯ আগস্ট ২০২৬
তিনি হটাৎ করে এমন পোস্ট করে কি বোঝাতে চাচ্ছেন।নাকি কোন প্রতারণার ফাঁদ পেতেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রাইমারি শিক্ষক বলেন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি যদি এই সকল ছবি যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন তাহলে তার মতো শিক্ষক এর কাছ থেকে সাধারণ ছাত্র ছাত্রী কি শিক্ষা নিবে।
অবশ্যই এই শিক্ষক এর বিচার হওয়া উচিত। নওশাদ নামের একজন শিক্ষক বলেন এই শিক্ষক স্বপন মাহমুদ ছাত্র দিয়ে সিগারেট কেনার মতো ঘটনাও আছে। ইনি শিক্ষক নামের কলংক রুবেল নামের একজন শিক্ষক বলেন স্বপন মাহমুদ এর অনেক দুর্নীতির খবর আমি জানি তবে প্রকাশ করে ও কোন লাভ হবে না। কারন শৈলকূপা প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চা দের ফুটবল খেলার দ্বায়িত্বে আছেন তিনি।
এই জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাহী কর্মকর্তা তার পক্ষে এই কারণে কেউ এই শিক্ষক স্বপন মাহমুদ এর বিরুদ্ধে কথা বলবে না। তা না হলে আপনারাই দেখেন একজন সহকারী শিক্ষক হয় কিভাবে পুলিশ কর্মকর্তার কখনো কোটি টাকার গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির বিষয়ে সহকারী শিক্ষক স্বপন মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
ঝিনাইদহ জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এটা খুব ই দুঃখ জনক একজন শিক্ষক এমন পোস্ট করা উচিৎ হয়নাই তবে অবশ্যই তদন্ত করে সঠিক বিচার হবে আপনারা একটু অপেক্ষা করুন। এই বিষয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এটা বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক কে মানহানি করা হয়েছে আমরা দ্রুত ব্যবস্হা নেব।