হায়দার মুহাম্মদ নাসির, নওগাঁ:
প্রকাশ: ২০:৫৫, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৫৮, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের মূলুকডাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ডেকে আনেন সহকারী শিক্ষক নুরুজ্জামান। পরবর্তীতে তিনি ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রী বিষয়টি তার এক বান্ধবীকে অবগত করলে তা ধীরে ধীরে সহপাঠী ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাটি জানার পরও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম শুরু থেকেই তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। অবশেষে ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে বিক্ষুব্ধ জনতা ও বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে ফেলে।
প্রতিবাদকারীরা জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুজ্জামান এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের অপকর্ম ঘটিয়েছেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ওই লম্পট শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার ও চাকরিচ্যুতির দাবিতে নানা স্লোগান দেয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদ (ম্যানেজিং কমিটি) না থাকার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি নিয়ম মেনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সচেতন এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি পুরো ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের রহস্যজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
শীর্ষ সংবাদ: