মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ
প্রকাশ: ১৯:৪৬, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ দমকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে বাতাসের তীব্রতা বেড়ে গেলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বিভিন্ন বসতঘর ও দোকানের টিনের চালা ও বেড়া উড়ে যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে গাছের ডালপালা ভেঙে সড়কে পড়ে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছেন রাজাখালী ইউনিয়নের বকসিয়াঘোনা এলাকার মৃত নজির আহমদের ছেলে আবুল হোসেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় পাশের একটি খালে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। পরে তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, মগনামা ইউনিয়নের কাটাপাড়ি ব্রিজসংলগ্ন বাইন্যাঘোনা এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে অন্তত ১০টি দোকান ও বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি দোকান ও বসতঘরের টিনের চালা ও বেড়া উড়ে গিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দূরে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে। এতে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ায় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঝড়ের সময় প্রবল বাতাস ও বজ্রপাতের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি, কয়েকটি দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।