আবদুল্লাহ সামি, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা
প্রকাশ: ১৯:৫৯, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরলা আক্তার (৪২), এলেনা বেগম ওরফে হেলেনা (৪৫), বেদনা খাতুন (২৯), খাদিজা আক্তার (২০) এবং হবিগঞ্জ জেলার ফাহিমা আক্তার (১৯)।
জেলা পুলিশ জানায়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহর ও বাজার এলাকার বিপণিবিতানগুলোতে কেনাকাটার ভিড় বাড়ছে। এ সুযোগে ছদ্মবেশে একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। চক্রের সদস্যরা ভিড়ের মধ্যে টার্গেট করে সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন, টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়। তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে কিছুদিন অবস্থান করে অপরাধ সংঘটন করে বলে পুলিশের দাবি।
পূজাকেন্দ্রিক কেনাকাটায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগরের কোম্পানিগঞ্জ এলাকায় ওই চক্রের অবস্থানের তথ্য পায়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে পাঁচ নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের হেফাজত থেকে ১৩টি মোবাইল ফোন ও চোরাই মালামাল বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।