এম সনজু আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা:
প্রকাশ: ১১:৩০, ১ অক্টোবর ২০২৬
নিহত কার্তিক আলী আলমডাঙ্গা পশুহাট রাধাকৃষ্ণপুর এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে। তাঁর পৈতৃক বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহদ গ্রামে। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আলমডাঙ্গায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে রোয়াকুলি রেলগেট এলাকায় যান কার্তিক আলী। রেলগেট পার হওয়ার সময় তাঁর সামনে একটি বাঁশবোঝাই আলমসাধু ছিল। রেলগেট পার হওয়ার সময় আলমসাধুটি সামনে এগোতে না পেরে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছনের দিকে চলে আসে। এ সময় আলমসাধুতে থাকা বাঁশের একটি অংশ কার্তিক আলীর পেটে এবং অপর একটি অংশ পায়ে ঢুকে যায়। এতে তাঁর পেটে গুরুতর জখম হয় এবং নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে তাঁর শরীরে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাত ৩টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কার্তিক আলীর আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদে আলমডাঙ্গা ও তাঁর পৈতৃক গ্রাম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছেলে ইমন, মেয়ে জেসমিনসহ আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
মঙ্গলবার বাদ মাগরিব মালিহদ গ্রামের কবরস্থানে জানাজা শেষে কার্তিক আলীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।