মোকামতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি:
প্রকাশ: ০০:৫১, ৩ অক্টোবর ২০২৬
এজাহার সূত্রে জানা যায়, হাফেজ জাহিদ শিবগঞ্জ উপজেলার জাবারীপুর পূর্বপাড়া বাইতুর নূর জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ওই মসজিদের মক্তবে শিশুদের আরবি পড়াতেন।
ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাড়ির পাশে মসজিদ হওয়ায় সে সেখানে আরবি পড়তে যেত। এ সুযোগে অভিযুক্ত জাহিদ বিভিন্ন সময় শিশুটিকে বিস্কুট, চানাচুর ও চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটি মসজিদে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে খেলার কথা বলে এবং পাদু বাজা কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জাহিদ শিশুটিকে জাবারীপুর কাজীপাড়া এলাকার একটি বাঁশবাগানের পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বিশেষ অভিযানে অভিযুক্ত হাফেজ জাহিদ ইসলাম সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আনসার আলী।
এ ঘটনায় শিবগঞ্জ উপজেলায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।