এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১৬:৪০, ৪ অক্টোবর ২০২৬
রোববার (৪ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হওয়া এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে এসব নথি আসল হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি জমি দখলে রাখেন।
অভিযোগে আরো বলা হয়, সরকারি ওই জমির ভাড়া পরিশোধ না করে আসামিরা ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
মামলার অনুমোদন পাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ ও মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক। শাহ-আলম ফারুক চট্টগ্রাম গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২, রহমতগঞ্জের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।
দুদক সূত্র জানায়, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।