‎বাগমারায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা মানববন্ধন

‎বাগমারা প্রতিনিধিঃ

প্রকাশ: ১৯:৫৮, ৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২০:০০, ৫ অক্টোবর ২০২৬

‎বাগমারায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে পাল্টা মানববন্ধন

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বেলঘরিয়াহাট ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে পাল্টা মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

‎আজ সোমবার ৫ অক্টোবর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও স্থানীয় সর্বস্তরের বাসিন্দারা অংশ নেন।
‎
‎‎মানববন্ধনে বক্তারা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
‎
‎প্রতিবাদ সমাবেশে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ (ভাইস প্রিন্সিপাল) ইসমাইল আলম আল-হাসানী বলেন, “শনিবার কিছু ব্যক্তি অধ্যক্ষ মহোদয়ের বিরুদ্ধে যেসব অনৈতিক ও অসত্য অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ মানহানিকর। এর মাধ্যমে শুধু একজন সৎ শিক্ষাবিদের সম্মানহানি করা হয়নি, বরং এই স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”
‎
‎তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাগমারা উপজেলার অন্যান্য মাদ্রাসার তুলনায় এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্যের কারণে প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার পুরস্কৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। একটি কুচক্রী মহল মাদ্রাসার এই শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে বহিরাগতদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
‎
‎মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদ্রাসায় নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে এবং শিক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। গভর্নিং বডির কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীয় দুটি পক্ষের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধের জেরে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে অধ্যক্ষকে।
‎
‎এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রতিটি অভিযোগই বানোয়াট। মূলত প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির নতুন কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জের ধরেই একটি পক্ষ আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে এই মিথ্যাচার করছে। তদন্ত হলেই প্রকৃত সত্য এবং নেপথ্যের কুশীলবদের মুখ উন্মোচিত হবে।”
‎
‎উল্লেখ্য, এর আগে গত রবিবার (৪ অক্টোবর) একই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল স্থানীয় একাংশ।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন