জাহাঙ্গীর আলম, বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশ: ১৭:৫৪, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার (৩ অক্টোবর) বাজিতপুর পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সালফিকে প্রথমে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বাজিতপুর বাজার থেকে ভাগলপুরের দিকে নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল সালফি। পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বিপরীত দিক থেকে কুলিয়ারচর থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে গিয়ে সালফি সড়কের পাশের একটি দেয়ালে আঘাত পায়। পরে সেখান থেকে আবার সিএনজির সঙ্গে ধাক্কা লেগে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় সালফি মোটরসাইকেল নিয়ে সড়কের এক পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি সড়কের খানাখন্দ এড়াতে পাশ পরিবর্তন করলে সালফির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
নিহত রাইসুল ইসলাম সালফি বাজিতপুর উপজেলার বলিয়ারদী পুরান বাড়ি এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম রোকনের ছেলে। তার মা শিল্পী আক্তার বলিয়ারদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। সালফি ছিলেন তাদের একমাত্র সন্তান।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম শহিদুল্লাহ জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সিএনজিটি থানায় জব্দ আছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালফির অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।