আহমেদ বায়েজিদ, বরিশাল
প্রকাশ: ১৯:০১, ৬ অক্টোবর ২০২৬
নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নগরীর কাশীপুর এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে।
হঠাৎ করেই আদালত ভবনের নিচে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে নাজমুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে নাজমুল কীভাবে ছয় তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তিনি অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেছেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ভবন থেকে লাফ দিয়েছেন—এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা কিংবা অন্য কোনো সম্ভাবনা—কোনোটিই এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, নাজমুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রীর করা একটি মামলা রয়েছে। তবে ওই মামলার সঙ্গে তার মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ বা পুলিশের পক্ষ থেকে তথ্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।