কামরুল হাসান, নেত্রকোনা
প্রকাশ: ২১:৫৮, ১০ অক্টোবর ২০২৬
এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে চাকরিচ্যুত তিনজন, ইউপি চেয়ারম্যান, কথিত নূর হালিমার পরিচয়দানকারী পিতা ওমর আলী এবং নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মঞ্জুরুল মিয়া রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নির্বাচন অফিস-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গত ১১ আগস্ট রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে অফিসের আইডি ব্যবহার করে নূর হালিমা ও মুজিবুর রহমানের এনআইডি-সংক্রান্ত কাগজপত্র সার্ভারে আপলোড করা হয়। এ ঘটনায় কারা তথ্য আপলোড করেছেন, আবেদনকারীদের পরিচয় কীভাবে যাচাই করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নথি সংরক্ষণে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য নেই। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন ও নাগরিকত্ব সনদ তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে।
কলমাকান্দা থানার ওসি মো. সোহেল রানা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চাকরিচ্যুত কর্মী কাঞ্চন মিয়া (২৯) ও বর্তমান পরিচ্ছন্নতাকর্মী মঞ্জুরুল মিয়া।
তদন্তে সার্ভার লগ, অফিসের আইডি ব্যবহারের তথ্য, সিসিটিভি-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি উঠেছে। তবে এজাহারে নাম থাকা বা গ্রেপ্তার হওয়া অপরাধ প্রমাণের সমতুল্য নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যেকের ভূমিকা ও দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।