আবদুল্লাহ সামি, কুমিল্লা (উত্তর)
প্রকাশ: ১১:৩৭, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ১ নম্বর আমলি আদালতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিচারক আবিদা সুলতানা মলির নির্দেশে অভিযুক্ত শাহনাজ আক্তার সুমনাকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় পাঠানো হয়।
আটক শাহনাজ আক্তার সুমনা কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার নূরপুর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় হাজিরা দিতে মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হন সুমনা। হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় বিচারক আবিদা সুলতানা মলির এজলাসের সামনে মামলার বাদী সালমা আক্তারের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় সালমাকে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে সুমনার বিরুদ্ধে। এতে সালমা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে বিচারকের নির্দেশে পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় পাঠায়।
এদিকে, ঘটনার পর আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা অভিযুক্তের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। শুনানিতে তাঁরা জানান, সুমনার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তাঁর জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান তাঁরা।
ভুক্তভোগী সালমা আক্তার অভিযোগ করেন, আদালত প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটনে আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করারও দাবি জানান তিনি।
কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব বলেন, আদালত হচ্ছে বিচার পাওয়ার জায়গা। বিচারপ্রার্থী মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে আসেন। সেখানে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানো প্রয়োজন।