নবীন মাহমুদ, ঝালকাঠি
প্রকাশ: ১৫:৫৪, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সতর্কীকরণ গণবিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ফলাফল অনুযায়ী, কাঁঠালিয়া উপজেলার মনস্বিতা মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪৬ জন। পাসের হার ৬২.১৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন। আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজে ২৩১ জনের মধ্যে পাস করেছেন ১১৭ জন, পাসের হার ৫০.৬৫ শতাংশ। তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সরকারি কলেজে ২২৪ জনের মধ্যে পাস করেছেন ১১০ জন, পাসের হার ৪৯ শতাংশ। এ কলেজেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন। পশ্চিম ছিটকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে ২৫ জনের মধ্যে পাস করেছেন ১২ জন।
রাজাপুর উপজেলার আলহাজ লালমোন হামিদ মহিলা ডিগ্রি কলেজে ২১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১২১ জন, পাসের হার ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন। বড়ইয়া ডিগ্রি কলেজে ২৮৯ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৮৯ জন, পাসের হার ২৭ শতাংশ। রাজাপুর সরকারি কলেজে ১৬৪ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৪২ জন, পাসের হার ২৫ শতাংশ। আর আব্দুল মালেক ডিগ্রি কলেজে ৯৫ জনের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ১৮ জন, পাসের হার ১৯ শতাংশ।
ফলাফলের এই চিত্রকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার নাজুক পরিস্থিতির প্রতিফলন উল্লেখ করে এমপি জামাল বলেন, শিক্ষার্থীরা কেন পিছিয়ে পড়ছে, তা খুঁজে বের করার সময় এসেছে। এ ব্যর্থতার দায় শিক্ষক, গভর্নিং বডি, ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবক সমাজ কেউই এড়াতে পারেন না।
তিনি বলেন, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, তদারকিতে দুর্বলতা এবং দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলের মুখে ঠেলে দিয়েছে। শিক্ষার পরিবেশ ও মান নিয়ে কোনো অবহেলা বরদাশত করা হবে না।