চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৬:৫৫, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
নৌযান চলাচলের কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী, ছোট আকারের স্পিডবোটের দৈর্ঘ্য ১৪ থেকে ১৮ ফুট ও ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৪০ হর্স পাওয়ার (এইচপি) হলে এতে সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী বহন করা যায়। অন্যদিকে, ২০ থেকে ২৪ ফুট দৈর্ঘ্যের মাঝারি আকারের স্পিডবোটে (৬০ থেকে ৮৫ এইচপি ইঞ্জিন) ১২ থেকে ১৫ জন যাত্রী বহনের বিধান রয়েছে।
সরেজমিনে ও যাত্রীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর ঘাটে চলাচলকারী মাঝারি আকারের স্পিডবোটগুলোতে নির্ধারিত সীমার চেয়েও প্রতি ট্রিপে অন্তত ৫ থেকে ৬ জন বেশি—অর্থাৎ ১৮ থেকে ২১ জন পর্যন্ত যাত্রী তোলা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন যাত্রী ও নৌ বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্মার মতো খরস্রোতা নদীতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য ঢেউ, আকস্মিক বাতাস বা যাত্রীদের সামান্য নড়াচড়াতেই ভারসাম্য হারিয়ে স্পিডবোট উল্টে যেতে পারে। লাইফ জ্যাকেটের যথাযথ ব্যবহার ছাড়া এমন অনিয়ন্ত্রিত পারাপার যাত্রীদের সরাসরি মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ঘাটে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় চালক ও পরিচালনাকারীরা অতিরিক্ত লাভের আশায় যাত্রীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতিটি স্পিডবোটের ধারণক্ষমতা দৃশ্যমানভাবে লিখে রাখা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং ঘাটে নৌপুলিশ ও প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুলহাস হোসেন সৌরভ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে উনি জানান, আমি এই মুহূর্তে চরভদ্রাসন উপজেলার বাহিরে আছি। আগামীকাল অফিসে এসে বিষয়টি দেখবো।