আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩:২৯, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৩১, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আমেরিকান বা ইসরাইলি বাহিনীর আক্রমণ হলে তেহরান ও তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীরা চুপ থাকবে না। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও কর্মীদের ওপর তাৎক্ষণিক জোরালো পাল্টা আঘাত হানবে ইরান। এমন নিরাপত্তার ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দূতাবাস থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহের জলপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পরিদর্শন করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখা এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। তবে তেলের বাজার স্বাভাবিক না হলে এবং কূটনৈতিক কোনো সমাধান না এলে চূড়ান্ত সামরিক পথেই হাঁটতে পারে ওয়াশিংটন।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দ্রুত ইরানের ওপর হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপ দিয়ে আসছেন। তবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা বিবেচনা করে ট্রাম্প আপাতত ইসরাইলকে অপেক্ষা করতে বলেছেন। ইসরাইলের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আমেরিকান সহায়তার প্রয়োজন থাকায়, নেতানিয়াহু আপাতত যৌথ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা মেনে নিয়ে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন।
সূত্র: সিএনএন