আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর) বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্লট জালিয়াতির মামলার চার্জশিট হলেও অধিকাংশ মামলার অনুসন্ধান ও তদন্ত এখনো শেষ করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশনসহ যৌথ তদন্ত দল।
দুদকের তালিকায় থাকা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রূপপুর প্রকল্পে ৫০০ কোটি ডলার দুর্নীতি, মুজিববর্ষের নামে অর্থ লুটপাট, নির্বাচনি হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনসহ একাধিক দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছিল সংস্থাটি। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক মহাপরিচালক জানান, যৌথ তদন্তে দ্রুতই কাজ শেষ করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, ‘তার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন কর্মকর্তা অনুসন্ধানের দায়িত্বে রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের জানানো হবে। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব বেশি সময় পার হয়নি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলো হয়েছে, সেগুলোর তথ্যই তুলে ধরা হলো।’
এদিকে, নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব সংস্থার সঙ্গে দুদক কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, ‘কার্যক্রম চলমান আছে। যেহেতু এখানে শুধু আমরা নই, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি, যদি কোনো ধরনের কোনো হালনাগাদ তথ্য থাকে, আমরা জানাবো।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসে ১২১টি মামলা ও ৬১টি চার্জশিট আদালতে দাখিল করেছে।
